Tricker

6/recent/ticker-posts

ভারতের কাছে বাংলাদেশ দল জয়লাভ করতে পারলে টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে চলে যাবে ২০২২।

ভারত বনাম বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি একটি ম্যাচ খেলা আরম্ভ হবে যদি বাংলাদেশ দল ভালো খেলা খেলতে পারে তাহলে সহজেই সেমিফাইনালে উঠে যাবে। তাই বাংলাদেশ দলে পরিবর্তন আনতে হবে যেমন ইয়াসির রাব্বির পরিবর্তে মেহেদি হাসান মিরাজকে দলে নিতে হবে থাকে যদি নাজমুল হোসেন শান্তর সাথে ওপেনিং ব্যাট করে তাহলে ভারতের সাথে ভালো কিছু নিশ্চিত আশা করা যায়। মেহেদি হাসান মিরাজ দলের পরিবর্তন আনতে পারেন যদি সে রান করতে পারে তার পাশাপাশি সে কিন্তু ওফ স্পিনার বোলার দুটোই করার অধিকার আছে। ভারতের কাছে জয়লাভ করতে হলে সাকিব আল হাসানসহ বাকী সবাই দলের যারা খেলবে তাদেরকে পারফরম্যান্স ধরে রাখতে হবে ভলো খেলা খেললে আশা করা যেতে পারে ভারতের সাথে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল জয়লাভ করতে পারবে।

Read more


বাংলাদেশ টাইগার বাহিনী জিম্বাবুয়ে সাথে খেলতে মাঠে নামে এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট দল টসে জিতে বাংলাদেশ টি টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশ ওপেনিং ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্ত এবং সৌম্য সরকার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ব্যাট করতে মাঠে নামে। নাজমুল হোসেন শান্ত ৫৫ বলে ৭১ রানের বিশাল বড় একটি ইনিংস খেলেন শান্তর ব্যাট থেকে রান আসার কারণে বাংলাদেশ টার্গেট দিতে পারে এবং তারা জয়লাভ করার মতো প্রত্যাশা করেন বাংলাদেশের সমর্থকরা এবং বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। আসলে আমাদের উচিত বাংলাদেশ যখন বাজে খেলে তখন তাদের পাশে থাকা এবং ভালো খেলা দেশকে উপহার দিলে তাদের পাশে সবসময় থাকা একান্ত জরুরী। 




বাংলাদেশ যদি জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জয়লাভ করেছে অনেক কষ্ট করে শেষ মূহুর্তে অর্থাৎ ১ বলে ৪ রান নিতে পারলে জিম্বাবুয়ে জয়লাভ করতে পারত। কিন্তু হটাৎ খেলা শেষ হওয়ার পর দেখা যায় বাংলাদেশ উইকেট কিপার নুরুল হাসান সোহান বল হাতে চলে যাওয়ার আগে স্টাম্পিং করার কারণে আম্পায়ার নো বল দিতে বাধ্য হন। এরপর স্পিন বোলার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত শেষ ১ বল দুর্দান্ত  বোলিং করার কারণে বাংলাদেশ দল নাটকীয় জয়লাভ করতে পারে।



বাংলাদেশের ব্যাটিংঃ প্রথমে টসে জিতে সাকিব আল হাসান ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় তারপর নাজমুল হোসেন শান্ত এবং সৌম্য সরকার ছোট একটি পার্টনারশিপ নিতে পারে। এবং দেখা যায় যে সৌম্য সরকার আউট হওয়ার পর সাকিব আল হাসান ২২ রান করে আউট হয়ে যান। এরপর লিটন কুমার দাস ও সেদিন ব্যাটিং এ জ্বলে উঠতে পারেন নি যার বিনিময়ে রানের টার্গেট ছিল জিম্বাবুয়ে সাথে ১৭০ কিংবা ১৮০ রান কিন্তু বাংলাদেশ খেলোয়াড়রা একমাত্র নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে রান আসে ৫৫ বলে ৭১ রান। 



নাজমুল হোসেন শান্ত ব্যাট থেকে এবং বর্তমান সময়ের টি টোয়েন্টি দলের অটো চয়েজ আফিফ হোসেন ২৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে শান্ত এবং আফিফের ব্যাট থেকে রান আসলেও বাকী সবাই রান নিতে ব্যর্থ ছিলেন।   বাংলাদেশের সকল খেলোয়াড়রা যখন রান নিত পারছে না তখন কিন্তু তারা দলকে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান সংগ্রহ করে ২০ ওভার মোকাবেলা করে যদি জিম্বাবুয়েকে জয়লাভ করতে হয় তাহলে ২০ ওভার মোকাবেলা করে বাংলাদেশ এর বিপক্ষে জয়লাভ করতে হবে কিন্তু বাংলাদেশ টাইগার বাহিনী তাদেরকে পরাজিত করে  ৩ রানে জয়লাভ আদায় করে নেয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। 

Post a Comment

0 Comments